Welcome - Nishat Laboratory School

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম


নিশাত ল্যাবরেটরী স্কুল এর পক্ষ থেকে জানাই স্বাগতম ও শুভেচ্ছা। পৃথিবীর সাথে তাল মিলিয়ে দেশ যখন এগিয়ে যাচ্ছে আমরা কেন তাহলে অন্যদের চেয়ে পিছিয়ে থাকবো ?  আপনারা জেনে আনন্দিত হবেন যে, বাংলা একাডেমী কর্তৃক নির্ধারিত শুদ্ধ উচ্চারণের অঙ্গীকার নিয়ে আমরা সৃজনশীল শিক্ষা দানের উদ্দেশ্যে  যুগোপযোগী ও আধুনিক স্কুল প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে একটি যুগান্তকারী উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। 

গাজীপুর মহানগরীর টঙ্গী অঞ্চলের (পূর্ব আরিচপুর, বিসিক সংলগ্ন) এলাকায় অসংখ্য স্কুল গড়ে উঠেছে। কিন্তু সত্যিকার অর্থে ভালো স্কুলের সংখ্যা খুবই কম। সেক্ষেত্রে আমাদের  প্রতিষ্ঠানটি এ অভাব পূরণে একটি ব্যতিক্রমী প্রচেষ্ঠা। ভবিষ্যত প্রজন্মকে তাদের সুপ্ত প্রতিভার যথাযথ বিকাশ ঘটিয়ে শারীরিক, মানসিক, চারিত্রিক, সামাজিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধে উদ্ধুদ্ধ করে তোলার লক্ষ্যে সুদূর প্রসারী পরিকল্পনা হাতে নিয়েছি। 

মেধাবী শিক্ষকগণের উচ্ছল উদ্দীপনায় সুশিক্ষার এক অপূর্ব পরিবেশ গড়ে তোলা হয়েছে। শিক্ষার্থীরা যাতে করে তাদের প্রতিভা বিকাশের উপযুক্ত ক্ষেত্র খুঁজে পায়। সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি ব্যক্তিগত জীবনে ধর্মীয় শিক্ষার অনুশাসন, মানবিক মূল্যবোধ ও কমপিউটার শিক্ষা কর্মসূচীর বাস্তবায়নের মাধ্যমে বিজ্ঞান মনস্ক দৃষ্টিভঙ্গি অর্জনের মধ্য দিয়ে প্রকৃত শিক্ষা লাভের পথ নির্দেশ করাই এই প্রতিষ্ঠানের মূল লক্ষ্য। গাজীপুর জেলার টঙ্গীতে প্রথম সারির যে ক’টি কিন্ডারগার্টেন স্কুল আছে, তন্মধ্যে নিশাত ল্যাবরেটরী স্কুল অন্যতম। এলাকার শিক্ষাঙ্গনে এটি একটি উল্লেখযোগ্য নাম। এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির বৈশিষ্ট্য হলো সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে চলা, কোয়ালিটি শিক্ষার ক্ষেত্রে আপোষ না করে শিক্ষা পদ্ধতির উৎকর্ষ সাধন। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার মহাকর্মযজ্ঞে নিশাত ল্যাবরেটরী স্কুল সরকারের যথাযথ সাড়া দিয়ে ডিজিটালাইজেশন কনসেপশন নিজেদের মধ্যে ধারণ করেছে।শিক্ষা প্রতিটি নাগরিকের জন্মহত অধিকার। তা সরকারি ব্যবস্পথাপনায়ই হোক আর  বেসাকারি ব্যবস্থাপনাই হোক; মূল কথা হঅে প্রতিটি নাগরিকের জন্য সুশিক্ষা নিশ্চিত করা। বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় সেবার মান এবং জবাবদিহি নিশ্চিত করতে অধিকতর সুযোগ রয়েছে। বর্তমান সরকার দেশের প্রতির্টি নাগরিকের সুশিক্ষা নিশ্চিতকরণের জন্য দৃঢ় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। একই সাথে বর্তমান সরকার শুধুমাত্র সরকারি ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ওপর নির্ভর না করে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ওপর অধিক গুরুত্বারোপ করেছেন। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়া এটি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর একটি যুগান্তকারী যোষণা, একটি স্বপ্ন। এ স্বপ্নের বাস্তবায়নে প্রত্যেককেই যার যার জায়গা থেকে এগিয়ে আসতে হবে। পুরনো ধ্যান-ধারণা ত্যাগ করে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার বাড়াতে হবে।

বাংলা ভাষার যথাযথ অনুশীলনের পাশাপাশি ইংরেজি ভাষাকে দ্বিতীয় ভাষার মর্যাদা দিয়ে উচ্চ শিক্ষার ক্ষেত্রে ভাষাগত দূর্বলতা নির্মূল করার দ্বার উন্মুক্ত করবে আশা করি। সাথে সাথে চিত্রাঙ্কন, সাহিত্য চর্চা, সাংস্কৃতিক কর্মসূচী, খেলাধুলা, শিক্ষা সফর তাদের মেধা বিকাশে ইতিবাচক সুফল বয়ে আনবে।

আমরা আশা করি, অভিভাবক ও ছাত্র-ছাত্রীদের যুগোপযোগী চাহিদা মেটাতে এবং তাদের সুশিক্ষা লাভের সকল সুযোগ সম্প্রসারণ করতে সক্ষম হব ইন্শাল্লাহ।

 

Gazipur মহানগরীর টঙ্গী অঞ্চলের প্রতিটি এলাকায় অসংখ্য স্কুল গড়ে উঠেছে

কিন্তু সত্যিকার অর্থে ভালো স্কুলের সংখ্যা খুবই কম। সেক্ষেত্রে আমাদের  প্রতিষ্ঠানটি এ অভাব পূরণে একটি ব্যতিক্রমী প্রচেষ্ঠা। ভবিষ্যত প্রজন্মকে তাদের সুপ্ত প্রতিভার যথাযথ বিকাশ ঘটিয়ে শারীরিক, মানসিক, চারিত্রিক, সামাজিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধে উদ্ধুদ্ধ করে তোলার লক্ষ্যে সুদূর প্রসারী পরিকল্পনা হাতে নিয়েছি।